সেন্টমার্টিন ভ্রমণে জটিলতার সমাধান ২০২৪
লেখকঃ এডমিন, লার্নিং এন্ড ট্রাভেলিং গ্রুপ
তারিখঃ ০৫ নভেম্বর, ২০২৪
আসসালামু আলাইকুম। আশা করছি সবাই ভালো আছেন। সেন্টমার্টিন ভ্রমণের বর্তমান জটিলতা নিয়ে হয়তো সবাই হতাশ! আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলছি সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জটিলতা খুব দ্রুতই সমাধানের পথে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ। এই লেখাটিতে আলোচনা করবো সবার পছন্দের সেন্টমার্টিন ভ্রমণে বর্তমান জটিলতার অবস্থা এবং সীমিত পরিসরে অনুমতি পেলে কিভাবে অল্প সময়ে সেন্টমার্টিন এর সৌন্দর্য উপভোগ করবেন।
মূল আলোচনাঃ চলুন সেন্টমার্টিনের বর্তমান পরিস্থিতি জেনে আসি
বছরের একটি মৌসুমেই কেবল ভ্রমণপিপাসু মানুষজন সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সবচেয়ে ভালো সুযোগ পেয়ে থাকেন, যেটি মূলত নভেম্বর মাস থেকে শুরু হয়ে মার্চ মাস পর্যন্ত চলমান থাকে।
চলতি বছরেও নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জাহাজ ইনানী থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিলো কিন্তু বর্তমান দেশের এবং মিয়ানমারের রাজনৈতিক অস্থিরতা সেন্টমার্টিন ভ্রমণের ক্ষেত্রে একটি বড় অনিশ্চয়তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় "দানা" অস্থিরতা বাড়িয়েছে আরও। তবে আশার কথা হচ্ছে খুব দ্রুতই সমস্যা সমাধান হতে যাচ্ছে।
ইনানী জেটিঘাট ঠিক করার পর সরকারিভাবে নভেম্বরের ২২ তারিখ থেকে সেন্টমার্টিনের জাহাজ চলাচলে কথা রয়েছে। তবে যেহেতু সেন্টমার্টিন দ্বীপটি মূলত পর্যটন নির্ভর একটি দ্বীপ যেখানে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ বসবাস করে, তাই সেন্টমার্টিনবাসীর একটা চাপ রয়েছে বর্তমান অন্তরবর্তীকালীন সরকারের উপর। কেননা, সেন্টমার্টিনবাসীর আয়ের একটি বড় উৎস হচ্ছে তাদের টুরিজম সেক্টর।
মূল আলোচনাঃ চলুন সেন্টমার্টিনের বর্তমান পরিস্থিতি জেনে আসি
বছরের একটি মৌসুমেই কেবল ভ্রমণপিপাসু মানুষজন সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সবচেয়ে ভালো সুযোগ পেয়ে থাকেন, যেটি মূলত নভেম্বর মাস থেকে শুরু হয়ে মার্চ মাস পর্যন্ত চলমান থাকে।
চলতি বছরেও নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জাহাজ ইনানী থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিলো কিন্তু বর্তমান দেশের এবং মিয়ানমারের রাজনৈতিক অস্থিরতা সেন্টমার্টিন ভ্রমণের ক্ষেত্রে একটি বড় অনিশ্চয়তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় "দানা" অস্থিরতা বাড়িয়েছে আরও। তবে আশার কথা হচ্ছে খুব দ্রুতই সমস্যা সমাধান হতে যাচ্ছে।
ইনানী জেটিঘাট ঠিক করার পর সরকারিভাবে নভেম্বরের ২২ তারিখ থেকে সেন্টমার্টিনের জাহাজ চলাচলে কথা রয়েছে। তবে যেহেতু সেন্টমার্টিন দ্বীপটি মূলত পর্যটন নির্ভর একটি দ্বীপ যেখানে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ বসবাস করে, তাই সেন্টমার্টিনবাসীর একটা চাপ রয়েছে বর্তমান অন্তরবর্তীকালীন সরকারের উপর। কেননা, সেন্টমার্টিনবাসীর আয়ের একটি বড় উৎস হচ্ছে তাদের টুরিজম সেক্টর।
ভিডিওঃ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে জটিলতার সমাধান
তাছাড়াও বর্তমান সরকার সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছেন কক্সবাজার ও টেকনাফ পরিবহন সংগঠনের। পাশাপাশি জাহাজ পরিবহন এবং কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন পর্যটন সংস্থারও একটি চাপ রয়েছে সরকারের উপর। গুঞ্জন রয়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপকে ঘিরে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র এবং চাপও রয়েছে সরকারের উপর।
পরিবেশ বিজ্ঞানীরা গত কয়েক বছর ধরে সেন্টমার্টিন দ্বীপ এবং এর পরিবেশ নিয়ে বার বার সরকারকে সতর্ক হতে বলছেন। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের দাবী অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সেন্টমার্টিনের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রী বেশি যা সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে এবং সেন্টমার্টিন তলিয়ে যেতে পারে।
এমনকি পরিবেশ বিজ্ঞানিদের দাবী, সাম্প্রতিক সময়ে সেন্টমার্টিনে এক ধরনের সাদা মাছির উপদ্রব বেড়েছে যা সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ধবংস করছে। যায় যায় প্রতিদিনের সংবাদ অনুসারে পরিবেশ বিজ্ঞানিদের কাছে তথ্য রয়েছে যে গত এক বছরে সাদা মাছির উপদ্রবে সেন্টমার্টিনের প্রায় ৩০০ এর বেশি নারিকেল গাছ মারা গিয়েছে। এইসব পরিস্থিতি নিয়ে বর্তমান সরকার দুটানায় রয়েছে। এবং ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দিচ্ছেন।
বর্তমান সিদ্ধান্তঃ
অন্তরবর্তী কালীন সরকার সেন্টমার্টিন ঘিরে একগাদা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলুন সেগুলো জেনে আসি-
১. আগামী নভেম্বরের ২২ তারিখ থেকে সেন্টমার্টিন অভিমুখে ইনানী জেটিঘাট থেকে জাহাজ ছেড়ে যাবে; জাহাজগুলো সকাল ৮ টা থেকে ৮.৩০ এর মধ্যে ছেড়ে যাবে এবং প্রাথমিকভাবে কর্ণফুলী জাহাজ সকাল ৮ টায় এবং বার আউলিয়া জাহাজ সকাল ৮.৩০ ছেড়ে যাবে। সেন্টমার্টিন থেকে ফিরে আসবে বিকাল ৫.০০ টায় এবং সাড়ে ৫ টায়।
২. নভেম্বরে সেন্টমার্টিনে কেউ থাকতে পারবেননা;
৩. ডিসেম্বর এবং জানুয়ারিতে সেন্টমার্টিনে পর্যটকরা ১ রাত থাকতে পারবেন। এক্ষেত্রে ১ দিন ও রাতের জন্য সেন্টমার্টিনে সর্বোচ্চ ভ্রমণকারীর সংখ্যা হবে ২০০০। তবে ১দিন থাকার জন্য এই ২০০০ পর্যটক কিভাবে নির্বাচিত হবে সেটি এখনোও পরিস্কার নয়। ধারণা করা হচ্ছে যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করবেন তারাই আগে সুযোগ পাবেন। অথবা যারা অগ্রিম টিকেট করবেন তারাই সুযোগ পাবেন।
৪. ফেব্রুয়ারি মাসে সেন্টমার্টিনে সরকার পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ রাখবে!
৫. সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে আগামী বছর থেকে দীর্ঘসময় সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
বিপরীতে ইতিমধ্যে সেন্টমার্টিন ঘিরে অসংখ্য গুজবও ছড়িয়েছে চারপাশে। বাস্তবতা বিবেচনায় মনে হচ্ছে স্বপ্নের এই সেন্টমার্টিনকে টিকিয়ে রাখার জন্য এইসকল সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তরবর্তীকালীন সরকার। তবে আমাদের মতো ভ্রমণউৎসুক মানুষের কাছে এটি সত্যিই হতাশার।
আপনারা হয়তো ভাবছেন, নিজের দেশের সবচেয়ে সুন্দর স্থানগুলো ভ্রমণে আমাদের প্রতি এতো নিষেধাজ্ঞা কেন? সাম্প্রতিক সময়ে পাহাড়ে অস্থিরতার কারণে সাজেক ও বান্দরবানও বন্ধ রয়েছে। তাহলে আমরা কোথায় যাবো?
আপনাদের সাথে আমিও একমত, আসলে আমরা জাতি হিসেবে অস্থির, অতি আবেগী, অতি উৎসাহী। অতি লোভে আমরা নিজেদের সবকিছু ধবংস করছি। ২০১৬ সালে যখন প্রথম সেন্টমার্টিন যায়, তখন সত্যিই সেন্টমার্টিনের আয়তন বর্তমান আয়তনের চেয়ে অনেক বেশি ছিলো।
সেন্টমার্টিনের পর্যটন ব্যবসায়ীরা প্রবালপাথর কেটে, নারিকেল গাছ কেটে এবং সেন্টমার্টিনের তীর ঘেষে সম্প্রতি অসংখ্য হোটেল, কটেজ এবং রেস্তেরাঁ নিমার্ণ করেছেন যেগুলো সেন্টমার্টিনকে ধীরে ধীরে গিলে ফেলছে।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলে রাখা ভালো, ইতিমধ্যে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের খুটিনাটি নিয়ে একটি ভিডিও আমার চ্যানেলে আপলোড করা হয়েছে, চাইলে সেটিও আইবাটন থেকে দেখে আসতে পারেন। আমার ভিডিওগুলো নিশ্চয় আপনার ভ্রমণকে সহজ করবে বলে বিশ্বাস করি।
ভিডিওঃ সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করুন নতুন নিয়মে
সেন্টমার্টিন ঘিরে বর্তমান সময়ে আলোচিত কয়েকটি পত্রিকার শিরোনাম এবং আপডেট দেখি আসি চলুন।
সেন্টমার্টিন ভ্রমণে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে আলটিমেটাম
দৈনিক সময়ের আলো, ১লা নভেম্বর ২০২৪
সেন্টমার্টিন ভ্রমণে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে আলটিমেটাম
দৈনিক সময়ের আলো, ১লা নভেম্বর ২০২৪
সেন্টমার্টিনে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩১ অক্টোবর ২০২৪
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
৩১ অক্টোবর ২০২৪
সেন্টমার্টিনের অস্তিত্ব ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে
দৈনিক ইনকিলাব, ১লা নভেম্বর ২০২৪

সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিত করলে পর্যটন শিল্পের ব্যাপক ক্ষতি হবে: মানববন্ধনে টোয়াব
টিবিএস রিপোর্ট
৩১ অক্টোবর ২০২৪
অর্থাৎ অধিকাংশ পত্রিকা এবং গণমাধ্যমেরই দাবী যাতে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ নিষিদ্ধ না হয় বরং দূত চালু হয়। এবার আসুন সংক্ষিপ্ত সময়ে কিভাবে সেন্টমার্টিন ঘুরে দেখবেন সেটি নিয়ে আলোচনা করি-
১. ১ দিনের ভ্রমণে তল্পীতল্পা নিয়ে সেন্টমার্টিন যাবেননা। সাথে একটি ছোট ব্যাগ নিতে পারেন যাতে আপনার সানগ্লাস, মোবাইল, পাওয়ার ব্যাংক বা ছোট জিনিস রাখতে পারেন।
২. যেখান থেকে সেন্টমর্টিন ভ্রমণে যান না কেন, আপনাকে সকাল ৭.৩০ টার মধ্যে ইনানী জেটিঘাট থাকতে হবে। অবশ্যই আগে জাহাজের টিকেট কেটে রাখবেন।
৩. জাহাজে উঠে সামুদ্রিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে থাকুন, বেরসিক মানুষের মতো সিটে বসে ঘুমাবেননা।
৪. ইনশাআল্লাহ দুপুর ১২টা থেকে ১২.৩০ টার মধ্যে পৌছে যাবেন সেন্টমার্টিন; ১০ মিনিটে ফ্রেশ হয়ে; ২০ মিনিটে খাবার খেয়ে দুপুর ১টার মধ্যে অবশ্যই ঘুরতে বের হয়ে পড়বেন। প্রথমে সরাসরি রাস্তার ডানপাশ ধরে হুমায়ূন আহমেদের সমুদ্র বিলাসের সামনে চলে যাবেন। সেন্টমার্টিন পুরোটাই সৌন্দর্যের খনি। যেদিকে যাবেন সেদিকেই সুন্দর তবে কৌশল খাটিয়ে ঘুরতে পারলে ৬ ঘন্টায় মোটামুটি ঘুরে ফেলতে পারবেন।
৫. সমুদ্র বিলাস দেখা শেষে হাতের বামপাশে যেতে থাকবেন, ভাটা থাকলে সেখান থেকে খালিচোখেই দারুচিনির দ্বীপ দেখা যাবে।
৬. সামনে যেতে যেতে সর্ব দক্ষিণ অর্থাৎ সেন্টমার্টিনের শেষ প্রান্তপর্যন্ত ঘুরে দেখতে পারেন, অবশ্যই ভালো লাগবে। পায়ে হেটে ঘুরে দেখবেন বেশি উপভোগ করতে পারবেন।
৭. ছেড়াদ্বীপ যেতে চাইলে ৩ টার মধ্যে অবশ্যই সেন্টমার্টিন থেকে অটো বা টলার যোগে রওয়ানা দিবেন! যেতে সময় লাগবে ২৫-৩০ মিনিট! ৩০ মিনিট ছেড়াদ্বীপ ঘুরে অবশ্যই ৪.৩০ টার মধ্যে সেন্টমার্টিন ফিরে আসুন। একদিন সেন্টমার্টিন থাকলে পায়ে হেটে ছেড়াদ্বীপ ভ্রমণের পরামর্শ রইলো। পায়ে হেটে ছেড়াদ্বীপ ভ্রমণের একটি পূর্ণাঙ্গ ভিডিও আইবাটন থেকে দেখে আসতে পারেন।
১. ১ দিনের ভ্রমণে তল্পীতল্পা নিয়ে সেন্টমার্টিন যাবেননা। সাথে একটি ছোট ব্যাগ নিতে পারেন যাতে আপনার সানগ্লাস, মোবাইল, পাওয়ার ব্যাংক বা ছোট জিনিস রাখতে পারেন।
২. যেখান থেকে সেন্টমর্টিন ভ্রমণে যান না কেন, আপনাকে সকাল ৭.৩০ টার মধ্যে ইনানী জেটিঘাট থাকতে হবে। অবশ্যই আগে জাহাজের টিকেট কেটে রাখবেন।
৩. জাহাজে উঠে সামুদ্রিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে থাকুন, বেরসিক মানুষের মতো সিটে বসে ঘুমাবেননা।
৪. ইনশাআল্লাহ দুপুর ১২টা থেকে ১২.৩০ টার মধ্যে পৌছে যাবেন সেন্টমার্টিন; ১০ মিনিটে ফ্রেশ হয়ে; ২০ মিনিটে খাবার খেয়ে দুপুর ১টার মধ্যে অবশ্যই ঘুরতে বের হয়ে পড়বেন। প্রথমে সরাসরি রাস্তার ডানপাশ ধরে হুমায়ূন আহমেদের সমুদ্র বিলাসের সামনে চলে যাবেন। সেন্টমার্টিন পুরোটাই সৌন্দর্যের খনি। যেদিকে যাবেন সেদিকেই সুন্দর তবে কৌশল খাটিয়ে ঘুরতে পারলে ৬ ঘন্টায় মোটামুটি ঘুরে ফেলতে পারবেন।
৫. সমুদ্র বিলাস দেখা শেষে হাতের বামপাশে যেতে থাকবেন, ভাটা থাকলে সেখান থেকে খালিচোখেই দারুচিনির দ্বীপ দেখা যাবে।
৬. সামনে যেতে যেতে সর্ব দক্ষিণ অর্থাৎ সেন্টমার্টিনের শেষ প্রান্তপর্যন্ত ঘুরে দেখতে পারেন, অবশ্যই ভালো লাগবে। পায়ে হেটে ঘুরে দেখবেন বেশি উপভোগ করতে পারবেন।
৭. ছেড়াদ্বীপ যেতে চাইলে ৩ টার মধ্যে অবশ্যই সেন্টমার্টিন থেকে অটো বা টলার যোগে রওয়ানা দিবেন! যেতে সময় লাগবে ২৫-৩০ মিনিট! ৩০ মিনিট ছেড়াদ্বীপ ঘুরে অবশ্যই ৪.৩০ টার মধ্যে সেন্টমার্টিন ফিরে আসুন। একদিন সেন্টমার্টিন থাকলে পায়ে হেটে ছেড়াদ্বীপ ভ্রমণের পরামর্শ রইলো। পায়ে হেটে ছেড়াদ্বীপ ভ্রমণের একটি পূর্ণাঙ্গ ভিডিও আইবাটন থেকে দেখে আসতে পারেন।
ভিডিওঃ পায়ে হেটে ছেড়াদ্বীপ ভ্রমণ
৮. হাল্কা নাস্তা ও কেনাকাটা করতে পারেন ৩০ মিনিটে, ৫ টায় জাহাজ ছেড়ে আসবে সেন্টমার্টিন থেকে।
একটু বুদ্ধি খাটালে অবশ্যই ৪ ঘন্টায় সেন্টমার্টিনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। যেহেতু সময় কম থাকবে, তাই সাইকেলেও ঘুরে দেখতে পারেন। ঘন্টাপ্রতি ভাড়া নিবে ৩০-৬০ টাকা।
সর্তকতাঃ
সেন্টমার্টিনে সকল প্রকার প্লাসিক পণ্য নিয়ে যাওয়া নিষেধ। আপনারা চাইলে সেন্টমার্টিন থেকে সেগুলো কিনে ব্যবহার করতে পারেন। তবে অনুরোধ থাকবে সেগুলো সমুদ্রে ফেলবেননা।
পরামর্শঃ
সল্প সময়ে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গেলে ক্যারেমান বা অতিরিক্ত ছবি তোলার ফাদে পড়বেননা। তাহলে আপনার সেন্টমার্টিন ট্যুরটি নষ্ট হবেনা। বীচে হাটা যাবেন এমন জুতো ব্যবহার করুন! ফাস্ট এইড হিসেবে গ্যাসের ট্যবলেট, জ্বর ও ঠান্ডার ঔষুধ সাথে রাখুন। যেকোন খাবার খাওয়ার আগে মান যাচাই করুন।
Happy Travelling!
একটু বুদ্ধি খাটালে অবশ্যই ৪ ঘন্টায় সেন্টমার্টিনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। যেহেতু সময় কম থাকবে, তাই সাইকেলেও ঘুরে দেখতে পারেন। ঘন্টাপ্রতি ভাড়া নিবে ৩০-৬০ টাকা।
সর্তকতাঃ
সেন্টমার্টিনে সকল প্রকার প্লাসিক পণ্য নিয়ে যাওয়া নিষেধ। আপনারা চাইলে সেন্টমার্টিন থেকে সেগুলো কিনে ব্যবহার করতে পারেন। তবে অনুরোধ থাকবে সেগুলো সমুদ্রে ফেলবেননা।
পরামর্শঃ
সল্প সময়ে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে গেলে ক্যারেমান বা অতিরিক্ত ছবি তোলার ফাদে পড়বেননা। তাহলে আপনার সেন্টমার্টিন ট্যুরটি নষ্ট হবেনা। বীচে হাটা যাবেন এমন জুতো ব্যবহার করুন! ফাস্ট এইড হিসেবে গ্যাসের ট্যবলেট, জ্বর ও ঠান্ডার ঔষুধ সাথে রাখুন। যেকোন খাবার খাওয়ার আগে মান যাচাই করুন।
Happy Travelling!
তাছাড়াও যেকোন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে কমেন্টস করুন।
________________________________________________________________________________________________________
লেখাটি ভালো লাগলে কমেন্ট করতে পারেন এবং এইরকম গোছানো নতুন নতুন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে আমাদের YouTube চ্যানেল- Learning and Traveling ক্লিক করে Subscribe করতে পারেন। কোন পরামর্শ থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
লেখাটি ভালো লাগলে কমেন্ট করতে পারেন এবং এইরকম গোছানো নতুন নতুন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা পেতে চাইলে আমাদের YouTube চ্যানেল- Learning and Traveling ক্লিক করে Subscribe করতে পারেন। কোন পরামর্শ থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
No comments